পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশের ধুম। তবে পান্তা ভাত কেবল উৎসবের খাবার হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই; পুষ্টিবিদদের মতে, এটি সারা বছর খাওয়ার মতো একটি আদর্শ খাবার। বিশেষ করে তীব্র দাবদাহে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে পান্তা ভাতের বিকল্প নেই।
পান্তা ভাত
বাঙালি ঐতিহ্যের একটি অন্যতম খাবার পান্তা ভাত। গরমের এ সময় অনেকেই এ খাবারকে ডায়েটে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
পান্তা ভাত বাংলার এক ঐতিহ্যবাহী খাবার, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে গ্রামীণ জীবন, গরমের সকাল আর সহজ-সরল খাদ্যাভ্যাসের গল্প।
ভাত রান্না করে আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা হয় পানিতে। সকালে পানি বদলালেই হয়ে যায় পান্তা ভাত। এর সঙ্গে কাঁচা কিংবা শুকনো মরিচ, পেঁয়াজ আর ডালের বড়া কিংবা ডিম ভাজি। কখনো কখনো সঙ্গী হরেকরকম ভর্তা। ব্যাস, পেট পুরে ভাত খেতে আর কী চাই।
পেট ফাঁপা এবং শরীরে অস্বস্তি নিয়ে ঘুম থেকে ওঠার কথা ভাবুন। শুনতে অস্বস্তিকর লাগছে, তাই না? এই কারণেই বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আপনার দিনটি হালকা এবং প্রাণবন্ত রাখার জন্য সঠিক শুরু করার পরামর্শ দেন।
গরমকালের সঙ্গে পান্তাভাতের সঙ্গে সম্পর্ক বেশ পুরনো। একটি যেন অন্যটির পরিপূরক। গরমকালে সবাই তেল-মসলা ছাড়া খাবার খেতে চান। সেক্ষেত্রে পান্তাভাতের জুড়ি মেলা ভার। পেঁয়াজ আর কাঁচা মরিচ দিয়ে এক প্লেট পান্তা ভাত খাওয়া যায় আরামসে।